Header Ads

তুষ পদ্ধতিতে হাঁস উৎপাদন

তুষ পদ্ধতিতে হাঁস উৎপাদন 

 তুষ পদ্ধতিতে হাঁস প্রথম চীন দেশে এই পদ্ধতির প্রচলন হয়। বর্তমানে ভারত,ফিলিপাইন, ইন্দোনেশিয়া,মালয়েশিয়া সহ অনেক দেশে এই পদ্ধতিতে হাঁসের ডিম থেকে বাচ্চা উৎপাদন করা হয় ।কর্মস্থানের জন্য এই পদ্ধতির প্রচলন করা যায়, একজন মহিলাকে প্রশিক্ষণ দিয়ে স্বাবলম্বী করে গড়ে তোলা যায়। এভাবে একজন মহিলা মাসে ১৫ হাজার থেকে ২০ হাজার টাক পর্যন্ত লাভ করতে পারে।

 

ফুটানো ডিম নিজে উৎপাদন করে কিংবা কন্ট্রাক্ট উৎপাদনকারীর কাছ থেকে ডিম সংগ্রহ করা যাইতে পারে। সংগ্রহকৃত ডিম গুলি বাছাইকরে ভাল গুনগতমানের ডিমগুলো ফুটানোর জন্য নির্বাচন করতে হবে। নির্বাচনের জন্যমাঝারি আকারের, মাঝারি খোসাযুক্ত, পরিষ্কার পরি”ছন্ন , ভাংগা বা ফাটা নয় অল্প বয়সের ডিম নির্বাচন করতে হবে। 


 তুষ পদ্ধতিতে হাঁস উৎপাদনে হ্যাচিং ডোল তৈরী করন

খুব সহজে এবং কম খরচে এই যন্ত্র তৈরি করা যায় । এই যন্ত্রের ২ টি অংশ থাকে । ডিম বসানোর অংশ এবং বাচ্চা ফুটানোর অংশ। ডিম বসানোর অংশ এই অংশকে ইংরাজিতে সেটার বলে। কাঠের বাতার সাথে হার্ডবোর্ড অথবা বাঁশের চাটাই দ্বারা ২ ফুট ী ২ ফুট এবং ৩ ফুট খাড়া চার কোনা বাক্স তৈরি করতে হবে। বাক্সের উপর দিক খোলা থাকবে বাঁশের চাটাই দিয়ে ১৪ ইঞ্চি চওড়া (ব্যাস)

 ও ৩০ ইঞ্চি খাড়া গোল ডোল তৈরি করতে হবে ।  ডোলের উপড় ও নিচে খোলা থাকবে। বাক্সের ভেতর তলাতে ৬ ইঞ্চি পরিমান তুষ বিছতে হবে। বাক্সের ভিতরে তুষের উপর ডোল বসাতে হবে। ডোল ও বাক্সের মাঝে খালি জায়গা তুষ দিয়ে ভরতে হবে। ডোলের চারদিকে ও তলাতে ৬ ইঞ্চি তুষ থাকবে।বাক্সের মধ্যে দুই বা তার চেয়ে বেশি ডোল বসানোর জন্য বাক্সের আকার বড় 

 

করতে হবে। বাচ্চা ফুটানোর অংশ এই অংশকে বাচচা ফুটানোর বিছানা এবং ইংরেজিতে হ্যাচার বেড বলে। ১৮ দিন ডোল থেকে ডিম বের করে বিছানার উপর বসাতে হয়। এখানে ডিম থেকে বাচআ ফুটে বে হয়। একহাজার ডিম বসানোর জন্য ৪২ ইঞ্চি লম্বা ও ২৪ ইঞ্চি চওড়া বিছানা প্রয়োজন হয়। হার্ড বোর্ডের চারদিকে কাঠের বাতা দিয়ে এই বিছানা তৈরি করা যায়। বাচ্চা পড়ে যাওয়া ঠেকানোর জন্যে বিছানার বারদিকে কাঠের তক্তা দিয়ে ৬ ইঞ্চি বেড়া তৈরি করতে হয়।

 

  1. - বিছানার উপরে ২/৩ ইঞ্চি পুরু করে তুষ বিছাতে হয় ।
  2. - কাঠের বা বাঁশের খুটির সাহায্যে এই বিছানা বহুতলা করা যায়।


 

No comments

Please validate the capture

Powered by Blogger.