অর্থনৈতিক উন্নয়নে হাঁস-মুরগীর ভূমিকাঃ
উন্নয়নে হাঁস-মুরগীর
বিজ্ঞানের চরম উৎকর্ষতার যুগে পোলট্রি ও পোলট্রি শিল্পের গুরত্ব অপরিসীম । মানুষের প্রধান মৌলিক চাহিদা খাদ্য । খাদ্য হিসাবে পোলট্রির ডিম ও মাংস আমিষ সরবরাহে অন্যান্য খাদ্য হতে অধিক গ্রহণযোগ্য ও উপাদেয় । পোলট্রি জাত খাদ্য দ্রব্য যেমন দেহে শক্তি যোগায় ঠিক তেমনি দৈহিক বৃদ্ধি ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে । বাংলাদেশ একটি জনবহুল দেশ, জনসংখ্যার একটি বড় অংশ দারিদ্র সীমার নীচে বাস করে। তাদের মৌলিক চাহিদার খাবার টুকুই জুটে না। তারপর সুষম খাদ্যের কথা তো
কল্পনা করাই যায় না।তাদের নানা রকম পুষ্টিহীনতা আছেই। হাঁস-মুরগী পালন করলে এ পুষ্টিহীনতা দূর করে পারিবারিক আয় বৃদ্ধি করা যায় । বর্তমান সময়ে তাই সরকারী ও বেসরকারী পর্যায়ে লাভজনকভাবে হাঁস-মুরগী পালনের উপরপ্রশিক্ষণের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। ক্ষ্রদ্র পরিসরে পারিবারিক পোল্ট্রি উৎপাদন উন্নয়নশীল দেশসমূহের গ্রাম ও শহরতলী এলাকার লোকদের খাদ্য
নিরাপত্তা ও দরিদ্রতা নিরসনে যথেষ্ট অবদান রাখে । পোল্ট্রি উৎপাদন পরিবারের বেকার জনগোষ্ঠিকে কর্মসংস্থানের সুযোগ করে দিয়েছে । ফলে দরিদ্র জনগন অর্থ উপার্জন ও সঞ্চয় করতে পারছে, তাদের প্রাত্যহিক খাদ্য তালিকায় মাংস ও ডিম যোগ হচ্ছে ফলে তারা রোগ-বালাই দ্বারা কম আক্রান্ত হওয়ায় ঔষধ খরচ ও চিকিৎসা খরচ বেঁচে যাচ্ছে । সঞ্চিত অতিরিক্ত অর্থ দরিদ্র জনগন তাদের স্কুলগামী ছেলেমেয়েদের পিছনে ব্যয় করতে পারছে ।
No comments
Please validate the capture